Biman Bangladesh Airlines | ABOUT US

Biman Bangladesh Airlines At a Glance

Biman Bangladesh Airlines- Nation’s Flag Carrier

It all started some 47 years ago, when the free people of our newly liberated country had, perhaps, looked up into the skies and imagined a dreamboat of their own which could fly them to faraway places. The hopes and aspirations of the people of Bangladesh gave birth to Biman—the wings that would carry them beyond the sunset. Under the auspices and personal intervention of the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the dream came true on January 4, 1972.

The journey began with a DC-3 aircraft-an air force plane gifted to the new airline by the government. Biman was finally air borne on March 7, 1972 with flights to Chattogram and Sylhet and on March 9 to Jessore. Thus the domestic operation of Biman began. Since then there has been no looking back for the legacy- carrier. On 4th March, three days before start of domestic operation, the first flight of Biman's international operation landed in Dhaka from London with 179 passengers on board.

Biman was incorporated as a public limited company in 2007. In 2008 the airline entered into an agreement with Boeing Aircraft Company for acquisition of 10 new generation aircraft 4 Boeing 777-300ER, 2 Boeing 737-800 and 4 Boeing 787, the biggest ever deal in the history of Biman. Biman is grateful to the Honourable Prime Minister Sheikh Hasina for her decision to provide the sovereign guarantee for procurement of Boeing aircraft.

Presently Biman Bangladesh Airlines has 21 aricraft in tis fleet where 16 are own and 5 are lease. Of these, four are Boeing 777-300 ER, four are Boeing 787-8, two are Boeing 787-9, six are Boeing 737 and five are Dash 8-400 aircraft.

A member of IATA, Biman connects Bangladesh with 15 key cities around the world along with a well-knit domestic network of 7 destinations. It also has agreements in place that will allow it to serve a total of 52 countries. It goes to most of the destinations directly or via a stopover. Convenient transfer connections from Dhaka to regional destinations are easily available. Biman is reputed for its well-trained and dedicated crew with appreciable safety record.

Biman fully understands the needs of customer and their ever rising expectations and so continue to upgrade aircraft, service, network, ticketing, cabin interior and in-flight entertainment. The Boeing 787-8 Dreamliner is fitted with world class Inflight Entertainment (IFE) system. Passengers are now able to enjoy Wi-Fi 43,000 feet up in the sky and also can make phone calls onboard to anywhere in the world. World famous nine TV Channels are now streaming their shows on board live. There are a wide array of choices of classic and blockbuster movies and music along with exciting video games for different segments of customers.

Passengers can also experience the excitement of 3D map during the journey. The business class of B787 is tailored with 180 degree reclined seat that means total flat bed. The larger windows and quite cabin along with mood light give more refreshing experience in journey. The fuel-efficient Dreamliner consumes 20 per cent less fuel thus contributes in green environment.

Biman aims to ensure that its passengers’ in-flight experience is as enjoyable and as comfortable as possible. The influence of traditional Bengali hospitality can be the felt and noticed on each Biman flight through the personalized service and attention to detail, provided by dedicated and professional cabin staff.

In addition to its own aircraft, Biman’s Ground-Handling unit also provides support to 26 foreign Airlines at Hazrat Shahjalal International Airport, Dhaka. Biman Flight Catering Center (BFCC) has the capacity of producing 8500 meals a day and is providing cuisine not only to Biman but also to several foreign airlines.

Biman Bangladesh Airlines Training Center (BATC) has been training its ground, flight service and technical personnel to meet the growing needs of Biman’s manpower, The EASA ( European Aviation Safety Agency) certified training center has also been turned into a seat of training and technical seminars for local and foreign airlines employees.

Biman Poultry Complex, a subsidiary of Biman was formed in 1976 and was put into operation in November 1980 to create a profit earning concern to augment the cash flow of Biman. The complex is situated 40 km north-west away from Dhaka City over 75 acres of land at Ganakbari, Savar, Dhaka.

As one of the major stake holders of the tourism sector of the country, Biman Bangladesh Airlines Limited is making effort to promote beauty, heritage and tourist attractions of Bangladesh.

Being the national flag carrier, Biman is proud to be the most prominent and conspicuous brand ambassador for Bangladesh. The tail insignia of the airline signifies its pride, the values and the ideals that the nation cherishes. Biman is committed to keep the honour of the nation high.

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স- জাতীয় পতাকাবাহী ক্যারিয়ার

এ যাত্রার শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৪৭ বছর আগে। সম্ভবত যখন আমাদের সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশের স্বাধীন মানুষগুলো আকাশপানে তাকিয়ে ভেবেছিল- একদিন আমাদেরও হবে এক স্বপ্নতরী, যাতে চড়ে উড়ে যাওয়া যাবে দূর-দূরান্তে। বাংলাদেশের জনগণের সেই আশা ও আকাঙ্ক্ষাই জন্ম দিয়েছে বিমানের। যার ডানায় চড়ে তারা ছাড়িয়ে যেতে পারবে সূর্যাস্তের রক্তিম দিগন্তটাকেও। আর ওই স্বপ্নটা সত্য হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিমান । সরকারের দেওয়া বিমানবাহিনীর একটি ডিসি-৩ এয়ারক্রাফটের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ যাত্রা। ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রাম ও সিলেটে এবং ৯ মার্চ যশোরে একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে আকাশে উড়ে বিমান। এভাবেই শুরু হয়েছিল বিমানের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম। এরপর থেকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি ঐতিহ্যের এ ধারকটিকে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের তিন দিন আগে অর্থাৎ ৪ মার্চ তারিখে ১৭৯ জন যাত্রীকে লন্ডন থেকে ঢাকায় নিয়ে আসার মাধ্যমে বিমানের প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সম্পন্ন হয়।

২০০৭ সালে বিমান পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ২০০৮ সালে নতুন প্রজন্মের ১০টি এয়ারক্রাফটের জন্য বোয়িং এয়ারক্রাফট কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসে বিমান। ১০টি এয়ারক্রাফটের মধ্যে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর আছে ৪টি, ২টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ও ৪টি বোয়িং ৭৮৭। বিমানের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বড় চুক্তি। বোয়িং এয়ারক্রাফটগুলো বহরে যোগ করতে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক গ্যারান্টি প্রদানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের জন্য বিমান কৃতজ্ঞ।

এখন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ২১টি । তন্মধ্যে ১৬ টি নিজস্ব এবং ৫টি লীজ। নিজস্ব ১৪টির মধ্যে বোয়িং৭৭৭-৩০০ ইআর ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৮ ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৯ ২টি, বোয়িং ৭৩৭ ২টি এবং ড্যাশ-৮ ৪টি।

আইএটিএ (IATA) সংস্থার সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ শহরের যোগাযোগ ও অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের ৭টি গন্তব্যকে এক সুতোয় বেঁধেছে বিমান। তবে কিছু প্রক্রিয়াধীন চুক্তি রয়েছে যা সম্পন্ন হলে মোট ৫২টি দেশে সেবা প্রদানের সুযোগ পাবে সংস্থাটি। এর মাধ্যমে বেশিরভাগ গন্তব্যেই সরাসরি বা একটি বিরতি নিয়ে যেতে পারবে বিমান। ঢাকা থেকে অন্যান্য আঞ্চলিক গন্তব্যগুলোতে সুবিধাজনক ট্রান্সফার কানেকশন সহজেই মিলবে। সুপ্রশিক্ষিত ও নিবেদিত কর্মী ও নিরাপত্তায় প্রশংসনীয় রেকর্ডের জন্য বিমানের রয়েছে দারুণ সুখ্যাতি।

গ্রাহকদের চাহিদা ও তাদের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশাগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারে বিমান। আর তাই এয়ারক্রাফট, সেবার মান, নেটওয়ার্ক, কেবিনের ইন্টেরিওর এবং ইন-ফ্লাইট বিনোদনেও উন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে বিমান। বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটিতে সংযুক্ত করা হয়েছে বিশ্বমানের ইনফ্লাইট বিনোদন (আইএফই) সিস্টেম। যাত্রীরা এখন ভূমি থেকে ৪৩,০০০ ফুট উঁচুতেও ওয়াই-ফাই উপভোগ করতে পারবেন এবং চলার পথেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ফোন-কল করতে পারবেন। এমনকি বিশ্বের নামকরা ৯টি টিভি চ্যানেল এখন অন-বোর্ড লাইভ সম্প্রচার করছে। যাত্রীভেদে রুচিতে আছে ভিন্নতা। আর সেই অনুযায়ী ইনফ্লাইট বিনোদনে রয়েছে বেশকটি ক্লাসিক ও ব্লকবাস্টার সিনেমা, নাটক, টেলিফিল্ম, গান ও দারুণ সব ভিডিও গেমস খেলার সুযোগ।

চলার পথে যাত্রীরা চাইলে চমৎকার একটি থ্রিডি মানচিত্র দেখতে পারবেন। বোয়িং ৭৮৭-এর বিজনেস ক্লাসের আসনগুলো ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত বাঁকানো যায়। মানে আসনগুলো একদম ফ্ল্যাট বেড। বড় আকারের জানালা ও নিরিবিলি কেবিনে আছে মুড লাইট, ভ্রমণে যা যোগ করবে এক বাড়তি সতেজতার অভিজ্ঞতা। জ্বালানি-সাশ্রয়ী ড্রিমলাইনারটি অন্য এয়ারক্রাফটগুলোর তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানিতে চলে। সবুজ পরিবেশের জন্য যা এক বড় অবদান বটে।

এছাড়াও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন যুক্ত হওায়া "ড্যাশ ৮-৪০০" কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক চুয়াত্তর সিট সম্বলিত উড়োজাহাজ। পরিবেশবান্ধব এবং অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ এ উড়োজাহাজে রয়েছে হেপা (HEPA) ফিল্টার প্রযুক্তি যা মাত্র ৪ মিনিটেই ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে উড়োজাহাজের অভ্যন্তরের বাতাসকে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ করে যা সম্মানিত যাত্রীগণের যাত্রাকে করে তোলে অধিক সতেজ ও নিরাপদ। এছাড়াও এ উড়োজাহাজে বেশি লেগস্পেস, এল ই ডি লাইটিং এবং প্রশস্ত জানালা থাকার কারনে ভ্রমণ হয়ে উঠবে অধিক আরামদায়ক ও আনন্দময়।

যাত্রীদের ইন-ফ্লাইট অভিজ্ঞতা যতটা সম্ভব উপভোগ্য ও আরামদায়ক হবে, এমনটা নিশ্চিত করাই বিমানের লক্ষ্য। বিমানের প্রতিটি ফ্লাইটেই তাই যাত্রীদের ব্যক্তিগত চাহিদানুযায়ী সেবা প্রদান ও খুঁটিনাটি সকল বিষয়ে মনযোগ দেওয়ার মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি আতিথেয়তার প্রভাব উপলব্ধি করা যাবে। আর এ সেবা প্রদান করে আসছেন বিমানের নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার কেবিন কর্মীরা।

নিজস্ব এয়ারক্রাফটগুলোর পাশাপাশি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরো ২৬টি বিদেশী এয়ারলাইন্সকে সেবা প্রদান করছে বিমানের গ্রাউন্ড-হ্যান্ডলিং ইউনিট।

দিনে ৮৫০০টি খাবার তৈরির সক্ষমতা রাখে বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার (বিএফসিসি)। এটি শুধু বিমানেই নয়, আরো অনেকগুলো বিদেশি এয়ারলাইন্সেও খাবার সরবরাহ করছে।

বিমানের ক্রমবর্ধমান কর্মী চাহিদার যোগান দিতে গ্রাউন্ড, ফ্লাইট সার্ভিস ও কারিগরি বিভাগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ট্রেনিং সেন্টার (বিএটিসি)। ইএএসএ (ইউরোপিয়ান এভিয়েশন সেফটি এজেন্সি) সনদপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি স্থানীয় ও বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সেমিনারের পীঠস্থান হিসেবেও ভূমিকা রেখে আসছে।

বিমানের সহায়ক প্রতিষ্ঠান বিমান পোল্ট্রি কমপ্লেক্স গড়ে উঠেছে ১৯৭৬ সালে। বিমানের তহবিলে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়াতে একটি মুনাফা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৮০ সালের নভেম্বর থেকে চালু হয় এটি। ঢাকার মূল শহর থেকে উত্তর-পশ্চিমে ৪০ কিলোমিটার দূরে সাভারের গণকবাড়ি এলাকার প্রায় ৭৫ একর জায়গা জুড়ে কমপ্লেক্সটির অবস্থান ।

বাংলাদেশের পর্যটনখাতের অন্যতম স্টেক হোল্ডার হিসেবে দেশটির সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও পর্যটন আকর্ষণগুলোর প্রসারেও কাজ করে চলেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রসিদ্ধ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পেরে বিমান গর্বিত। এয়ারলাইনটির টেইলে থাকা পরিচয়চিহ্নটি যেন এ জাতির গর্ব, মূল্যবোধ ও আদর্শেরই ইঙ্গিত বহন করে। আর এ জাতির সম্মানকে উঁচুতে তুলে ধরে রাখতে বিমান প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।